NONAVUMIR OVIBADON The first ever Shutter Art movement in Bangladesh
NONAVUMIR OVIBADON The first ever Shutter Art movement in Bangladesh
নোনাভূমির অভিবাদন:
#nonavumi, #shutterartmovementinbangladesh, #nonavumirovibadon, #ovibadon
অভিবাদন
ঢাকা কিংবা আরো দূরের কোন শহর থেকে জন্মভূমি শহরে ভোর এ বাস থেকে নেমেই দেখলেন নিজের শহরের সবকিছুকে মোটিফ বা গ্রাফিটিতে রাঙিয়ে রঙিন সব ছবি আপনাকে অভিবাদন জানাচ্ছে। চোখ জুড়িয়ে গেল, মন জুড়িয়ে গেল, নিশ্চুপ রাজপথের দুধারে সাড়ি সাড়ি দোকানের শাটারের উপর মোহনীয় সব গ্রাফিটি, মোটিফ, রঙ যা কেবল আপনার শহরের কথাই নানাভাবে, নানা ঢঙে বলে যাচ্ছে। কেমন বোধ হবে ভাবুন তো?
আপনি রিক্সা চেপে শহর জেগে উঠবার আগে চোখ মেলে দেখে গেলেন এইসব ছবি, দেখলো আপনার রিক্সা চালক। একটি চমৎকার দিনের শুরু হলো আপনার। পথে পথে, শাটারে অাঁকা সারা শহর একটা গল্প বলে গেল, সেই গল্পের মানে আপনি একভাবে, রিক্সাচালক আরেকভাবে এঁকে নিলো।
যে যার মতো।
নতুন কেউ এলে ডাগর চোখে দেখলো, মুগ্ধ হলো, একটা শহরের নতুন এক পরিচিতি হলো রঙে, সূর্য্যের আলোতে, সন্ধার নিয়ন অলোতে!
গ্যালারির শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে যাদের শিল্পীদের আঁকা ছবি দেখার সুযোগ ঘটবেনা কোনও দিনও, তাদের জন্যে শাটার এর উপরে রঙের বুননে বর্ণিল সব ছবি চিত্রকলার নতুন এক ক্যানভাসে সাজিয়ে দিলো শহরটা, সাধারণ মানুষেরা দোকানের বন্ধ শাটারের উপর এইসব ছবি দেখে যেমন দোকানটিকে চিনে রাখলো তেমনি শহরের নতুন এক রুপ তাদের জন্যে নতুন এক পরিচয় তৈরি করে দিলো। রঙিন শহরের এই বোধটা ছড়িয়ে গেল , সার্বজনীন হলো। শহরের অলি গলি হয়ে উঠলো চিরকালীন উৎসবের।
দোকানের শাটার এর উপর একটা ক্যানভাস তাই গণ মানুষের।
শহরের মুটে মজুর যে মানুষগুলোর বিনোদন লাভের কোন সুযোগ ই নেই, সেই মানুষগুলোর জন্যে দোকানের বদ্ধ শাটারগুলো এক সার্বজনীন রুপ নিয়ে খুলবে, বন্ধ হবে।
যখনই বন্ধ তখন তার শিল্প উম্মুক্ত হলো।
বন্ধের দিন গুলোতে আরেক রুপ ধারন করলো সাড়ি সাড়ি শাটার গুলো।
হ্যা, পৃথিবীর কিছু শহরে এমন কাজ হয়েছে বৈকি কিন্তু বাংলাদেশের খুলনায়, এই প্রথম,
এই কাজ একার পক্ষে সম্ভব নয়, তাই এটির জন্যে চাই ডেডিকেটেড টিম মুভমেন্ট এর মতো একটি পদক্ষেপ এর।
খুলনার ৫৭ শের ই বাংলা রোড, আমতলায় একটা বুটিক শপের নাম নোনাভূমি, তাকে ঘিরে শিল্প সাহিত্যের সংবাদপত্রের নানা ঘরানার নানা মতের সৃষ্টিশীল মানুষের আনাগোনা, তাদের কেউ কেউ ভালোবেসে নোনাভূমিকে খুলনার শান্তি নিকেতন ডেকে থাকে!
তাদের সাথে যোগ দিলাম আমি কিশোর। ঢাকার দামী চাকুরী ছেড়ে , ঢাকার রাজধানী-বাংলাদেশ বলে পরিচিত অবহাওয়া থেকে ক্রমশ চিড়ে চেপ্টা পরিবেশ ভুলে নিজেকে ডিসেন্ট্রালাইজ করার বাসনা আর জন্মভূমির সাথে নিজে কে সম্পৃক্ত করতে চল্লিশোর্ধ সময়ে নিজেকে নিয়ে নতুন এক সংগ্রাম এর স্বপ্ন নিয়ে পথ চলার শুরুতেই খুঁজে পেলাম নোনাভূমিকে।
শাটার আর্ট দিয়ে রঙে রঙে সজীব জীবন্ত শহর আর সাধারণ মানুষের জন্যে স্বপ্নটা ছিল শিপার, মনি মাঝির মতো খুলনা চারুকলার ব্যাচ ৯৯ আর০২ ব্যাচের কয়েক তরুণ এর।
শুনলাম ওদের স্বপ্নে কথা।
নিজে কার্টুনিস্ট বলে রীতিমতো কনসেপচুয়াল ভিজুয়ালাইজেশন করা শুরু করলাম।
বিজ্ঞাপনী সংস্থায় দীর্ঘদিনের কাজের অভিজ্ঞতায় বুঝলাম, কাটা টাকা বাজেটের জন্যে এই স্বপ্ন থেমে থাকতে পারেনা।
দু'মাসের বাসা ভাড়া বাকী রেখে ওদের অনুপ্রেরণা দিতে রঙ তুলি কিনে ফেললাম।
ইমরোজ, স্বন্দ্বীপ, উৎসব, শিপার, উপল দলে জুড়ে গেল, দিন রাত জেগে রাঙিয়ে তুললো নোনাভূমির শাটারগুলো। সেখানে নোনাভূমি ক্যাফে, নোনাভূমি বুটিক, নোনাভূমি পিউরিটি শপ এক ছাদের নীচে সবাইকে অভিবাদন জানিয়ে শুরু করলো নতুন এক অভিযাত্রার। অভিবাদন শীর্ষক নতুন এক আর্ট মুভমেন্ট এর।
খুলনা, একটি ট্যুরিজম এর অপার সম্ভাবনার শহর অথচ শহরে পর্যটক দেখা যায় না বললেই চলে। ট্যুর অপারেটর রা ট্যুরিস্টদের যশোর হয়ে বিমান থেকে নামিয়ে সরাসরি চলে যান সুন্দরবনে কিংবা শহর থেকে দূরে কোন স্থাপনায়। শহর এ তাই ট্যুরিস্টদের আকর্ষণের নাগরিক কোন আয়োজন নেই বললেই চলে, অথচ এই শাটার আর্টগুলোকে কেন্দ্র করে নতুন ঘরানার ট্যুরিষ্ট আকর্ষণের নবযাত্রা শুরু হতে পারে। এই আর্টগুলো কে কেন্দ্র করে সাপ্তাহিক বন্ধের দিনে হতে পারে নতুন মেলার আয়োজন, ঘরে তৈরি নানা ধরনের জিনিসপত্র ট্যুরিস্টদের জন্যে ডালা সাজিয়ে বসতে পারে যে কেউ।
একটা নগরীর দোকানের শাটার পরবে আর একটা আর্ট শো শুরু হবে?
বন্ধ দিয়ে যার শুরু।
তার মানে এই নয় যে দোকান বন্ধ করে রাখতে হবে!
বরং নতুন ধরনের এই শাটার আর্ট শো যে কোন দোকানের বাইরের সৌন্দর্য এর এক বোধ তৈরি করবে
তার টানে দোকানে ভিড়বে কাস্টমার।
দোকান মালিকের সৌন্দর্যপ্রীতির প্রশংসা করবে সবাই।
রাস্তার পাশে সাড়ি সাড়ি দোকানের শার্টারে রঙিন সব আঁকিবুকি, মোটিফ, আল্পনা, গ্রাফিটি, নতুন ধরনের আবেশ তৈরি করবে নগরবাসীর মনে। সবার চোখে রঙিন এক সর্বজনীন ছবি হয়ে ঐক্যের কথা বলবে।
কিংবা এই শহরের রিক্সাওয়ালা, মুটে মজুর, সাধারন মানুষের তো গ্যালারির শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত রুম গুলোতে প্রবেশাধিকার নাই। এই বন্ধ হয়ে যাওয়া শাটারের ক্যানভাসে রঙিন সাদা কালো ছবিগুলো তাদের জন্যে হোক। তারা ছবিকে ভালোবাসতে শিখুক। তাদের শ্রমেই তো বেঁচে থাকি আমরা।
হতে পারে লোকজ কিংবা প্রাচ্যের পাশ্চাত্যের মিলন কিন্তু একটা রঙিন ছবি হয়ে নগরের সৌন্দর্য বাড়িয়ে দেবে।
এ হতে পারে খুলনার নতুন হয়ে ওঠা কিংবা স্বকীয়তা তৈরির একটি চেষ্টা, একটি মুভমেন্ট।
নোনাভূমি'র অভিবাদন আর্ট মুভমেন্ট তাই খুলনার বুকে নতুন এক পধচলার ডাক।
নাগরিক নতুন এক ক্যানভাসে, নতুন করে গল্প বলার প্রয়াস।
সেই গল্প প্রাণ পাবে অন্ধকারে, বন্ধে, আলোতে, নিয়ন কিংবা রৌদ্রের উত্তাপে।
কিংবা বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতে এইসব শাটার'র সামনে, এক চিলতে আশ্রয় এর নীচে ঠাই নিতে নিতে, এইসব শাটার'র আঁকিবুকি দেখে কোন কোন যুগল হয়তো উষ্ঞতার নতুন গল্প খুঁজে নেবে।
নিক।
নোনাভূমির অভিবাদন
শাটার আর্ট মুভমেন্ট এর পক্ষে
কিশোর
( উপদেষ্টা পর্ষদ সহকারী)
শেলী শামীম আশরাফ
( উপদেষ্টা পর্ষদ সহকারী)
প্রধান উপদেষ্টা
মোহাম্মদ শেখ সাদী ভূইয়া
টিম অভিবাদন
মূখ্য সমন্বয়ক
ইমরোজ, মনি মাঝি, শিপার
( টিম অভিবাদন এর শাটার আর্ট এ ব্যবহৃত গ্রাফিটি, মোটিভ এবং ভিজ্যুয়াল কন্টেন্ট কপিরাইটের জন্যে অনুমোদনের অপেক্ষায় )
নোনাভূমির অভিবাদন:
#nonavumi, #shutterartmovementinbangladesh, #nonavumirovibadon, #ovibadon
অভিবাদন
ঢাকা কিংবা আরো দূরের কোন শহর থেকে জন্মভূমি শহরে ভোর এ বাস থেকে নেমেই দেখলেন নিজের শহরের সবকিছুকে মোটিফ বা গ্রাফিটিতে রাঙিয়ে রঙিন সব ছবি আপনাকে অভিবাদন জানাচ্ছে। চোখ জুড়িয়ে গেল, মন জুড়িয়ে গেল, নিশ্চুপ রাজপথের দুধারে সাড়ি সাড়ি দোকানের শাটারের উপর মোহনীয় সব গ্রাফিটি, মোটিফ, রঙ যা কেবল আপনার শহরের কথাই নানাভাবে, নানা ঢঙে বলে যাচ্ছে। কেমন বোধ হবে ভাবুন তো?
আপনি রিক্সা চেপে শহর জেগে উঠবার আগে চোখ মেলে দেখে গেলেন এইসব ছবি, দেখলো আপনার রিক্সা চালক। একটি চমৎকার দিনের শুরু হলো আপনার। পথে পথে, শাটারে অাঁকা সারা শহর একটা গল্প বলে গেল, সেই গল্পের মানে আপনি একভাবে, রিক্সাচালক আরেকভাবে এঁকে নিলো।
যে যার মতো।
নতুন কেউ এলে ডাগর চোখে দেখলো, মুগ্ধ হলো, একটা শহরের নতুন এক পরিচিতি হলো রঙে, সূর্য্যের আলোতে, সন্ধার নিয়ন অলোতে!
গ্যালারির শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে যাদের শিল্পীদের আঁকা ছবি দেখার সুযোগ ঘটবেনা কোনও দিনও, তাদের জন্যে শাটার এর উপরে রঙের বুননে বর্ণিল সব ছবি চিত্রকলার নতুন এক ক্যানভাসে সাজিয়ে দিলো শহরটা, সাধারণ মানুষেরা দোকানের বন্ধ শাটারের উপর এইসব ছবি দেখে যেমন দোকানটিকে চিনে রাখলো তেমনি শহরের নতুন এক রুপ তাদের জন্যে নতুন এক পরিচয় তৈরি করে দিলো। রঙিন শহরের এই বোধটা ছড়িয়ে গেল , সার্বজনীন হলো। শহরের অলি গলি হয়ে উঠলো চিরকালীন উৎসবের।
দোকানের শাটার এর উপর একটা ক্যানভাস তাই গণ মানুষের।
শহরের মুটে মজুর যে মানুষগুলোর বিনোদন লাভের কোন সুযোগ ই নেই, সেই মানুষগুলোর জন্যে দোকানের বদ্ধ শাটারগুলো এক সার্বজনীন রুপ নিয়ে খুলবে, বন্ধ হবে।
যখনই বন্ধ তখন তার শিল্প উম্মুক্ত হলো।
বন্ধের দিন গুলোতে আরেক রুপ ধারন করলো সাড়ি সাড়ি শাটার গুলো।
হ্যা, পৃথিবীর কিছু শহরে এমন কাজ হয়েছে বৈকি কিন্তু বাংলাদেশের খুলনায়, এই প্রথম,
এই কাজ একার পক্ষে সম্ভব নয়, তাই এটির জন্যে চাই ডেডিকেটেড টিম মুভমেন্ট এর মতো একটি পদক্ষেপ এর।
খুলনার ৫৭ শের ই বাংলা রোড, আমতলায় একটা বুটিক শপের নাম নোনাভূমি, তাকে ঘিরে শিল্প সাহিত্যের সংবাদপত্রের নানা ঘরানার নানা মতের সৃষ্টিশীল মানুষের আনাগোনা, তাদের কেউ কেউ ভালোবেসে নোনাভূমিকে খুলনার শান্তি নিকেতন ডেকে থাকে!
তাদের সাথে যোগ দিলাম আমি কিশোর। ঢাকার দামী চাকুরী ছেড়ে , ঢাকার রাজধানী-বাংলাদেশ বলে পরিচিত অবহাওয়া থেকে ক্রমশ চিড়ে চেপ্টা পরিবেশ ভুলে নিজেকে ডিসেন্ট্রালাইজ করার বাসনা আর জন্মভূমির সাথে নিজে কে সম্পৃক্ত করতে চল্লিশোর্ধ সময়ে নিজেকে নিয়ে নতুন এক সংগ্রাম এর স্বপ্ন নিয়ে পথ চলার শুরুতেই খুঁজে পেলাম নোনাভূমিকে।
শাটার আর্ট দিয়ে রঙে রঙে সজীব জীবন্ত শহর আর সাধারণ মানুষের জন্যে স্বপ্নটা ছিল শিপার, মনি মাঝির মতো খুলনা চারুকলার ব্যাচ ৯৯ আর০২ ব্যাচের কয়েক তরুণ এর।
শুনলাম ওদের স্বপ্নে কথা।
নিজে কার্টুনিস্ট বলে রীতিমতো কনসেপচুয়াল ভিজুয়ালাইজেশন করা শুরু করলাম।
বিজ্ঞাপনী সংস্থায় দীর্ঘদিনের কাজের অভিজ্ঞতায় বুঝলাম, কাটা টাকা বাজেটের জন্যে এই স্বপ্ন থেমে থাকতে পারেনা।
দু'মাসের বাসা ভাড়া বাকী রেখে ওদের অনুপ্রেরণা দিতে রঙ তুলি কিনে ফেললাম।
ইমরোজ, স্বন্দ্বীপ, উৎসব, শিপার, উপল দলে জুড়ে গেল, দিন রাত জেগে রাঙিয়ে তুললো নোনাভূমির শাটারগুলো। সেখানে নোনাভূমি ক্যাফে, নোনাভূমি বুটিক, নোনাভূমি পিউরিটি শপ এক ছাদের নীচে সবাইকে অভিবাদন জানিয়ে শুরু করলো নতুন এক অভিযাত্রার। অভিবাদন শীর্ষক নতুন এক আর্ট মুভমেন্ট এর।
খুলনা, একটি ট্যুরিজম এর অপার সম্ভাবনার শহর অথচ শহরে পর্যটক দেখা যায় না বললেই চলে। ট্যুর অপারেটর রা ট্যুরিস্টদের যশোর হয়ে বিমান থেকে নামিয়ে সরাসরি চলে যান সুন্দরবনে কিংবা শহর থেকে দূরে কোন স্থাপনায়। শহর এ তাই ট্যুরিস্টদের আকর্ষণের নাগরিক কোন আয়োজন নেই বললেই চলে, অথচ এই শাটার আর্টগুলোকে কেন্দ্র করে নতুন ঘরানার ট্যুরিষ্ট আকর্ষণের নবযাত্রা শুরু হতে পারে। এই আর্টগুলো কে কেন্দ্র করে সাপ্তাহিক বন্ধের দিনে হতে পারে নতুন মেলার আয়োজন, ঘরে তৈরি নানা ধরনের জিনিসপত্র ট্যুরিস্টদের জন্যে ডালা সাজিয়ে বসতে পারে যে কেউ।
একটা নগরীর দোকানের শাটার পরবে আর একটা আর্ট শো শুরু হবে?
বন্ধ দিয়ে যার শুরু।
তার মানে এই নয় যে দোকান বন্ধ করে রাখতে হবে!
বরং নতুন ধরনের এই শাটার আর্ট শো যে কোন দোকানের বাইরের সৌন্দর্য এর এক বোধ তৈরি করবে
তার টানে দোকানে ভিড়বে কাস্টমার।
দোকান মালিকের সৌন্দর্যপ্রীতির প্রশংসা করবে সবাই।
রাস্তার পাশে সাড়ি সাড়ি দোকানের শার্টারে রঙিন সব আঁকিবুকি, মোটিফ, আল্পনা, গ্রাফিটি, নতুন ধরনের আবেশ তৈরি করবে নগরবাসীর মনে। সবার চোখে রঙিন এক সর্বজনীন ছবি হয়ে ঐক্যের কথা বলবে।
কিংবা এই শহরের রিক্সাওয়ালা, মুটে মজুর, সাধারন মানুষের তো গ্যালারির শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত রুম গুলোতে প্রবেশাধিকার নাই। এই বন্ধ হয়ে যাওয়া শাটারের ক্যানভাসে রঙিন সাদা কালো ছবিগুলো তাদের জন্যে হোক। তারা ছবিকে ভালোবাসতে শিখুক। তাদের শ্রমেই তো বেঁচে থাকি আমরা।
হতে পারে লোকজ কিংবা প্রাচ্যের পাশ্চাত্যের মিলন কিন্তু একটা রঙিন ছবি হয়ে নগরের সৌন্দর্য বাড়িয়ে দেবে।
এ হতে পারে খুলনার নতুন হয়ে ওঠা কিংবা স্বকীয়তা তৈরির একটি চেষ্টা, একটি মুভমেন্ট।
নোনাভূমি'র অভিবাদন আর্ট মুভমেন্ট তাই খুলনার বুকে নতুন এক পধচলার ডাক।
নাগরিক নতুন এক ক্যানভাসে, নতুন করে গল্প বলার প্রয়াস।
সেই গল্প প্রাণ পাবে অন্ধকারে, বন্ধে, আলোতে, নিয়ন কিংবা রৌদ্রের উত্তাপে।
কিংবা বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতে এইসব শাটার'র সামনে, এক চিলতে আশ্রয় এর নীচে ঠাই নিতে নিতে, এইসব শাটার'র আঁকিবুকি দেখে কোন কোন যুগল হয়তো উষ্ঞতার নতুন গল্প খুঁজে নেবে।
নিক।
নোনাভূমির অভিবাদন
শাটার আর্ট মুভমেন্ট এর পক্ষে
কিশোর
( উপদেষ্টা পর্ষদ সহকারী)
শেলী শামীম আশরাফ
( উপদেষ্টা পর্ষদ সহকারী)
প্রধান উপদেষ্টা
মোহাম্মদ শেখ সাদী ভূইয়া
টিম অভিবাদন
মূখ্য সমন্বয়ক
ইমরোজ, মনি মাঝি, শিপার
( টিম অভিবাদন এর শাটার আর্ট এ ব্যবহৃত গ্রাফিটি, মোটিভ এবং ভিজ্যুয়াল কন্টেন্ট কপিরাইটের জন্যে অনুমোদনের অপেক্ষায় )
































মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন